খেলা হোক বিনোদনের উৎস, বোঝার নয়। Betijil-এ দায়িত্বশীল গেমিং আমাদের মূল প্রতিশ্রুতি। এখানে জানুন কীভাবে সীমা নির্ধারণ করবেন, নিজেকে সুরক্ষিত রাখবেন এবং প্রয়োজনে সাহায্য নেবেন।
Betijil-এ আমরা বিশ্বাস করি গেমিং হওয়া উচিত মনোরঞ্জনের একটি স্বাস্থ্যকর অংশ — জীবনের চাপ কমানোর উপায়, বাড়ানোর নয়। দায়িত্বশীল খেলা মানে শুধু নিয়ম মানা নয়, এটি হলো নিজের সীমা জানা এবং সেই অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া।
আমাদের প্ল্যাটফর্মে দায়িত্বশীল গেমিং নিশ্চিত করতে আমরা একাধিক টুলস ও সুবিধা রেখেছি। আপনি চাইলে ডিপোজিট সীমা, সেশন সময় সীমা এবং নিজেকে সাময়িক বা স্থায়ীভাবে বাদ দেওয়ার সুবিধা নিতে পারবেন।
গেমিং আসক্তি একটি বাস্তব সমস্যা। যদি মনে হয় আপনি বা আপনার কাছের কেউ এই সমস্যায় পড়েছেন, তাহলে সাহায্য নেওয়াটা দুর্বলতা নয় — বরং এটিই সাহসিকতার প্রমাণ। Betijil সবসময় আপনার পাশে আছে।
মনে রাখুন: দায়িত্বশীল খেলা শুধু একটি নীতি নয়, এটি Betijil-এর মূল সংস্কৃতির অংশ। আমরা চাই আপনি সবসময় হাসিমুখে খেলুন।
Betijil আপনাকে দেয় ৬টি শক্তিশালী টুলস — যা দিয়ে আপনি নিজেই নিজের গেমিং অভিজ্ঞতা নিরাপদ রাখতে পারবেন।
দৈনিক, সাপ্তাহিক বা মাসিক ডিপোজিটের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করুন। একবার সীমা সেট করলে সেটি তাৎক্ষণিক কার্যকর হয়। সীমা বাড়াতে চাইলে ৭২ ঘণ্টার অপেক্ষা প্রয়োজন — এটি আপনাকে আবেগের মুহূর্তে বাড়তি খরচ থেকে রক্ষা করে।
কতক্ষণ খেলবেন তা আগেই ঠিক করুন। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলে Betijil আপনাকে সতর্কবার্তা দেবে এবং সেশন স্বয়ংক্রিয়ভাবে শেষ হবে। সময়ের হিসাব রাখা সহজ হয় এই ফিচারের মাধ্যমে।
৭ দিন থেকে ৬ সপ্তাহ পর্যন্ত সাময়িক বিরতি নিন। এই সময়ে আপনার অ্যাকাউন্ট সক্রিয় থাকবে কিন্তু কোনো গেমিং কার্যক্রম করা যাবে না। মন ঠান্ডা করে ফেরার জন্য এটি দারুণ কার্যকর।
৬ মাস থেকে ৫ বছর পর্যন্ত নিজেকে সম্পূর্ণরূপে Betijil থেকে বাদ দেওয়ার সুবিধা। এই সময়ে অ্যাকাউন্ট লগইন ও সকল গেমিং সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে এবং কোনো প্রমোশনাল বার্তা পাঠানো হবে না।
নির্দিষ্ট সময়ে কতটুকু হারাবেন তার সীমা বেঁধে দিন। সীমায় পৌঁছে গেলে সেই দিনের জন্য গেমিং স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। অর্থের ক্ষতি নিয়ন্ত্রণে রাখার সবচেয়ে কার্যকর উপায় এটি।
প্রতি ৩০, ৬০ বা ৯০ মিনিটে একটি বার্তা আপনাকে মনে করিয়ে দেবে কতক্ষণ ধরে খেলছেন এবং কতটা জিতেছেন বা হেরেছেন। এই ছোট বিরতি বাস্তবতার সাথে সংযোগ বজায় রাখতে সাহায্য করে।
মাত্র কয়েক মিনিটেই আপনার Betijil অ্যাকাউন্টে নিরাপত্তা সীমা সেট করতে পারবেন।
আপনার মোবাইল নম্বর ও পাসওয়ার্ড দিয়ে Betijil-এ প্রবেশ করুন। OTP দিয়ে নিরাপদ লগইন নিশ্চিত করুন।
উপরের ডানদিকে আপনার প্রোফাইল আইকনে ক্লিক করুন এবং "দায়িত্বশীল গেমিং" অপশন বেছে নিন।
ডিপোজিট সীমা, সময় সীমা, ক্ষতি সীমা বা স্ব-বর্জন — আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোনো টুল সক্রিয় করুন।
সীমা সেট করে "নিশ্চিত করুন" বাটনে চাপুন। সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর হয়ে যাবে এবং আপনি SMS নিশ্চিতকরণ পাবেন।
সীমা কমানো তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়। কিন্তু সীমা বাড়াতে হলে ৭২ ঘণ্টার কুলিং পিরিয়ড অপেক্ষা করতে হবে। এই নিয়মটি আপনার সুরক্ষার জন্যই রাখা হয়েছে।
নিচের প্রশ্নগুলো নিজেকে করুন। যদি তিনটির বেশি প্রশ্নে "হ্যাঁ" হয়, তাহলে বিরতি নিন এবং আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। সমস্যা স্বীকার করাই সমাধানের প্রথম পদক্ষেপ।
এই প্রশ্নগুলো পেশাদার মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শের বিকল্প নয়। গুরুতর সমস্যায় সরাসরি বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিন।
আপনি কি বাজেটের চেয়ে বেশি অর্থ খেলায় খরচ করে ফেলেন এবং পরে অনুতাপ হয়?
হেরে গেলে কি পুষিয়ে নেওয়ার জন্য আরও বেশি বাজি ধরার তাগিদ অনুভব করেন?
পরিবার বা বন্ধুদের কাছ থেকে আপনার গেমিং অভ্যাস লুকিয়ে রাখেন?
দৈনন্দিন কাজ, ঘুম বা পারিবারিক সম্পর্কে গেমিং নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে?
খেলা বন্ধ করতে চাইলেও পারেন না — বারবার ফিরে আসার অদম্য ইচ্ছা অনুভব করেন?
গেমিং-এর অর্থ জোগাড় করতে ঋণ করেছেন বা প্রয়োজনীয় খরচ কমিয়েছেন?
স্ট্রেস বা মানসিক চাপ কমাতে গেমিং-কেই প্রধান উপায় হিসেবে বেছে নেন?
আপনি নিজে সীমা না দিলেও Betijil স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই ডিফল্ট সীমাগুলো প্রয়োগ করে।
সীমা কমানো সবসময় তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়। সীমা বাড়ানোর আবেদন করলে ৭২ ঘণ্টা পরে পর্যালোচনা করা হয়। স্থায়ী স্ব-বর্জন প্রযোজ্য হলে তা আর পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।
সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞেস করা প্রশ্নগুলোর উত্তর এখানে।
একা লড়াই করবেন না। Betijil ও বিশেষজ্ঞরা সবসময় আপনার পাশে আছে।
আমাদের দায়িত্বশীল গেমিং টিম ২৪/৭ আপনার জন্য প্রস্তুত। যেকোনো সমস্যা বা প্রশ্ন নিয়ে সরাসরি যোগাযোগ করুন।
support@betijil.appগেমিং আসক্তি মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার একটি রূপ। বাংলাদেশের যেকোনো সরকারি হাসপাতালের মানসিক স্বাস্থ্য বিভাগে বিনামূল্যে পরামর্শ নিতে পারবেন।
নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করুনকাছের মানুষদের সাথে কথা বলুন। পরিবার ও বন্ধুরা সবচেয়ে বড় শক্তি। তাদের সহায়তায় যেকোনো সমস্যা মোকাবেলা করা সহজ হয়।
পাশের মানুষের সাথে কথা বলুন